• শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

ডেস্ক সংবাদ / ১২৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৪
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

জুলাই-আগস্টে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তাকে ১৮ নভেম্বরের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রধান কৌঁসুলি মোঃ তাজুল ইসলাম এ বিষয়ে দুটি আবেদন করেন। বৃহস্পতিবার এক আবেদনের শুনানি করে গোলাম মর্তুজার নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো.

এ ছাড়া আরেকটি আবেদনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আদেশ দেওয়া হয়।

এদিন সকাল সাড়ে ১১টায় গোলাম মর্তুজার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনামলে সব হত্যা, গণহত্যা, বিচারবহির্ভূত হত্যা, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিবরণ পেশ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।

ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার 15 অক্টোবর নিয়োগের পর প্রথম কার্যদিবসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসেন। এছাড়া ট্রাইব্যুনালের দুই সদস্য বিচারপতি মোঃ শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. ওই দিন ট্রাইব্যুনালে আসেন মহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এ সময় ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা তাদের স্বাগত জানান।

গত ১৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম জানান, শেখ হাসিনাসহ পলাতক আসামিদের ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

১৯৭১ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিচারের জন্য তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। ট্রাইব্যুনাল জামায়াত-বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে শাস্তি ঘোষণা করে এবং তা কার্যকর করা হয়।

ছাত্র আন্দোলনের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন শেখ হাসিনা। বৈষম্য বিরোধী শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন রুখতে শেখ হাসিনা সরকার নির্বিচারে হত্যাকাণ্ড চালায়। এ আন্দোলনে প্রায় দেড় হাজার মানুষ প্রাণ হারায়। শেখ হাসিনার পতনের পর সরকারে আসেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার। দায়িত্ব নেওয়ার পরই জুলাই-আগস্টের গণহত্যার বিচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ছাত্র আন্দোলনের সময় শতাধিক মৃত্যুর ঘটনাকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে বিবেচনা করে শেখ হাসিনাসহ ক্ষমতাচ্যুত সরকারের কয়েক ডজন লোকের বিরুদ্ধে বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে ইতিমধ্যে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা