পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাব ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার (SDE) মোঃ ময়েজ উদ্দিনের নামে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জে কর্মকালীন থাকা অবস্থায় গত জনু মাসে তিনি পিআরএল-এ যান, চাকুরীকালীন সময়ে নানানভাবে কোটি কোটি টাকা আয় করেছেন এই প্রকৌশলী।
জানা যায়, কালো টাকা সাদা করতে ডেভেলপার কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত হয়ে ফ্ল্যাট নির্মাণ ব্যবসা শুরু করেন। তার অর্থ সম্পদের অনুসন্ধানে জানা গেছে তিনি বিপুল পরিমানে স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পদের মালিক।
প্রকৌশলী মোহাম্মদ ময়েজ উদ্দিনের রাজশাহীতে নিজস্ব ৫ তলা বাড়ি, রাজশাহী কলেজ হোস্টেলের পাশে কসমোপলিটন বিল্ডিং এর দশ তলায় নদীমুখী একটি আলিশান ফ্লাট, আলুপট্রি স্বচ্ছ টাওয়ারে একটি ফ্লাট, তেরখাদিয়া হাউজিং এস্টেট এলাকায় একাধিক ফ্লাট, ঢাকার বনানীতে একটি ফ্লাট, ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিকে একটি ৯ তলা বিশিষ্ট ও একটি ১৫ তলা বিশিষ্ট পার্টনারশিপে বিল্ডিং, ময়মনসিংহের ভালুকা ও ঢাকার টঙ্গীতে মোট ২ টি জিও ব্যাগের পার্টনারশীপে কারখানা রয়েছে।
ভুক্তভোগীরা বলেছেন জিও ব্যাগের কারখানা থেকে ঠিকাদারদেরকে নদীর বাঁধ বাধাই এর জন্য জিও ব্যাগ কিনতে বাধ্য করা হতো। চাঁপাই নবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর বিভিন্ন জায়গায় নামে বেনামে জমিসহ আরো সম্পদ করা আছে।
সরকারী চাকুরীতে যোগদান করলেও সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তিনি। ব্যক্তিগত ২ টি প্রাইভেট গাড়িতে তিনি চলাফেরা করেন। দারিদ্র্যতার সাথে লড়াই করে রাজশাহী পলিটেকনিক থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেন তিনি। তবে জীবনযাপনে শিল্পপতিদের মত হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, একজন সরকারী চাকুরের এতা ধনাট্য হওয়ার পেছনের রহস্য কি?
অভিযোগের বিষয়ে প্রকৌশলী ময়েজ উদ্দিনের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, ‘১০০ ভাগের মধ্যে ১০ ভাগ সত্য ৯০ ভাগ মিথ্যা, আমার ব্যাপারে কেউ মিথ্যা তথ্য দিয়ে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে।’